বৃহস্পতিবার, ২৮ অক্টোবর ২০২১, ১১:৫৮ অপরাহ্ন
ঘোষণা:
জেলা প্রতিনিধি, উপজেলা প্রতিনিধি, ক্যাম্পাস প্রতিনিধি, বিভাগীয় প্রতিনিধি, ভ্রাম্যমাণ প্রতিনিধি হিসেবে যোগ দেয়ার জন্য জীবনবৃত্তান্ত, জাতীয় পরিচয় পত্রের কপি, পাসপোর্ট সাইজের ছবি ইমেইল করুন [email protected]  এই ঠিকানায়

নওগাঁয় আমনের পোঁকা দমনে ব্যস্ত সময় কাটাচ্ছে কৃষকেরা

প্রথমকাল.কম: / ৬২ বার পড়া হয়েছে
আপডেট টাইম : সোমবার, ২০ সেপ্টেম্বর, ২০২১, ৬:১৯ অপরাহ্ন

বিজ্ঞাপন

নওগাঁর মাঠে মাঠে সবুজের সমারোহ কৃষকের স্বপ্নের আমন ফসলের রোগ বালাই ও পোঁকামাকড় থেকে রক্ষা করতে ব্যাস্ত সময় কাটাচ্ছে কৃষকরা। 

নওগাঁর দিগন্তজোড়া ফসলের মাঠ সবুজের সমারোহ দক্ষিণা বাতাসের দোলা দিয়ে যাচ্ছে মাঠের সবুজ ধানের পাতা গুলো। কৃষকের ঘড়ে আমন ধান উঠতে আরো কয়েক মাস বাঁকি। এ জন্য ধানের মাঠ গুলোতে কৃষক কঠোর পরিশ্রম দিয়ে রোগ বালাই পোকামাকড় থেকে তাদের কষ্টের ফসলের ক্ষেত রক্ষায় আপ্রাণ চেষ্টা করে যাচ্ছে। নওগাঁ জেলা বরেন্দ্রভূমি ধান ও চালের জন্য বিখ্যাত এ জেলায় প্রতি বছর ব্যাপক পরিমান ধান ও চাল উৎপাদন হয়। কৃষক কৃষাণীর অক্লান্ত পরিশ্রমে ঘড়ে উঠে ইরি-বোর ধান এই ধান-চাল দিয়ে চলে এই জেলার অধিকাংশ কৃষকদের জীবন-জীবিকার চাঁকা। আমন ধান কৃষকের ঘড়ে উঠতে আর ২ মাস বাঁকি। সামনে দিনে উঠবে আমন ধান অধীর অপেক্ষায় কৃষকরা এজন্য তাদের অক্লান্ত শ্রম দিয়ে যাচ্ছে তাদের রোপণ করা ধানের মাঠে। মাঠ গুলোতে দেখা দিয়েছে বিভিন্ন পোকার আক্রমণ সেই আক্রমণ ঠেঁকাতে কৃষকরা ছুটছে বিভিন্ন কীটনাশকের দোকানে। কীটনাশক দোকানদার দেওয়া বিভিন্ন ঔষধ স্প্রে করছে কৃষকরা তুবও কোন ক্ষেতের পোকা দমন হচ্ছে আবার কোন ক্ষেতের হচ্ছে না। এই নিয়ে চিন্তার মাঝে দিন কাটাচ্ছে কৃষকরা তবুও বুকে বড় স্বপ্ন নিয়ে শ্রম দিয়ে যাচ্ছে তাদের রোপণকৃত ধানের মাঠে।

মহাদেবপুর উপজেলার খোদ্দর্নারায়ণপুর গ্রামের কৃষক আবু বক্কর সিদ্দিক বলেন,আবহাওয়া অনুকূলে থাকলে আমন ধান ভালো হওয়ার সম্ভাবনা আছে এবং ধানের দামও ভালো আছে।এবছর বৃষ্টির একটু বেশি হওয়ার কারণে ধানে সেচ দিতে তেমন খরচ করতে হচ্ছে। তবে এই বছর বিভিন্ন পোকার আক্রমণে অনেক কীটনাশক ব্যবহার করতে হচ্ছে। তবে যদি কৃষি স্যারেরা মাঠ পর্যায়ে এসে কৃষকদের পোকামাকড় দমনে একটু পর্রামশ দিতেন তাহলে আমাদের উপকার হতো। তারা যদি পরামর্শ দিতেন,তাহলে কীটনাশক দোকানদারদের পরামর্শে ধানে অযথা কীটনাশক ব্যবহার করা লাগতো না। তাতে করে আমাদের অনেকটাই কীটনাশকের পিছনে খরচ কম লাগতো। তারপরও অক্লান্ত পরিশ্রম দিয়ে যাচ্ছে মাঠে বাঁকিটা সৃষ্টিকর্তার হাতে।

এবিষয়ে উপ-সহকারী কৃষি অফিসার আরিফুল জামান বলেন,আমরা মাঠ পর্যায়ে গিয়ে কৃষকদের বিভিন্ন রকমের ধানের পোঁকা দমনে সচেতন পরামর্শ দিচ্ছি। কৃষকদের সার্বিক সহযোগিতা করছি এবং আমন ধানে পোকা দমনে কি কীটনাশক ব্যবহার করতে হবে সেই পরামর্শ গুলো দিচ্ছি। তবে আবহাওয়া অনুকূলে থাকলে ধানের ফলন ভালোর হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।


এ জাতীয় আরো খবর ....

বিজ্ঞাপনের জায়গা

বিজ্ঞাপনের জায়গা

এক ক্লিকে বিভাগের খবর