বুধবার, ২২ সেপ্টেম্বর ২০২১, ০৯:৩৭ অপরাহ্ন
ঘোষণা:
জেলা প্রতিনিধি, উপজেলা প্রতিনিধি, ক্যাম্পাস প্রতিনিধি, বিভাগীয় প্রতিনিধি, ভ্রাম্যমাণ প্রতিনিধি হিসেবে যোগ দেয়ার জন্য জীবনবৃত্তান্ত, জাতীয় পরিচয় পত্রের কপি, পাসপোর্ট সাইজের ছবি ইমেইল করুন [email protected]  এই ঠিকানায়

প্রথম দিনেই শিক্ষার্থীদের উপস্থিতি সন্তোষজনক: প্রধান শিক্ষক একরামুল হোসেন

প্রথমকাল.কম: / ১২২ বার পড়া হয়েছে
আপডেট টাইম : রবিবার, ১২ সেপ্টেম্বর, ২০২১, ১১:০৫ অপরাহ্ন

বিজ্ঞাপন

অনেক দিন পরে স্কুলের গেটে শিক্ষার্থীদের ভীড়, স্বাস্থ্য বিধি মেনে সারা দেশের ন্যায় খোলা হয়েছে কুষ্টিয়ার হরিনারায়ণপুর মাধ্যমিক বালিকা বিদ্যালয়।

তবে বিদ্যালয় খোলার প্রথম দিনে ব্যতিক্রম আয়োজন দেখা গেছে হরিনারায়ণপুর মাধ্যমিক বালিকা বিদ্যালয়ে। দৃষ্টিনন্দন সাজসজ্জা ও পরিবেশে ফুল দিয়ে শিক্ষার্থীদের বরণ করে নিয়েছে বিদ্যালয়টি। শিক্ষার্থীদের আগমনকে ঘিরে বিদ্যালয়ের ক্লাস রুমে প্রবেশ মূখে ব্যানার, স্বাস্থ্য বিধি মেনে সবাই, আনন্দে স্কুলে যাই। শিক্ষার্থীদের জন্য স্বাস্থ্য বিধি এমন এক নিয়মে ব্যানার টানানো হয়েছে। বাড়ি থেকে মাস্ক পড়ে স্কুলে আসবো, এভাবে লিপিবদ্ধ করা হয়েছে আঠারোটি পয়েন্ট।

হরিনারায়ণপুর মাধ্যমিক বালিকা বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক একরামুল হোসেন  এক বার্তায় বলেন, সব নিয়ম মেনেই আমরা শিক্ষার্থীদের গ্রহণ করছি। তাদের স্বাস্থ্য সুরক্ষায় প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিয়েই শ্রেণিকক্ষে ক্লাস নেওয়া হচ্ছে। অনেক দিন তাদের অনুপস্থিতি আমাদের উভয়ের মাঝে দূরত্বের সৃষ্টি হয়েছে। তাই তাদের বরণ করতে নানা আয়োজন রয়েছে আমাদের। আমাদের এ আয়োজনে তারা ভীষণ খুশি ও আনন্দিত হয়েছে। তিনি বলেন, করোনার আগে আমরা যেমন একসঙ্গে অনেক শিক্ষার্থীদের ক্লাস নিতে পেরেছি। এখন তা পারছি না। অল্পসংখ্যক শিক্ষার্থী নিয়ে ক্লাস শুরু করতে হচ্ছে। তারপরও যে ক্লাস নিতে পারছি, তাতেই আমরা খুশি। শিক্ষার্থীরা আমার সন্তানের মত। প্রতিটি শিক্ষার্থী সু-শিক্ষায় শিক্ষিত হবে এটাই বড় চাওয়া।

বিদ্যালয়ের ৬ষ্ঠ শ্রেণির শিক্ষার্থী এক শিক্ষার্থী সেফা খাতুন বলে, খুব ভোরে আমার ঘুম ভেঙে গেছে। রাতেই রেডি করে রাখা স্কুল ব্যাগ ও বই নিয়ে আম্মুর সঙ্গে স্কুলে এসেছি। অনেক দিন পর স্কুলে এসে আমার খুব ভালো লাগছে। স্যাররাও আমাদের অনেক আদর করেছেন। শুধু সেফা খাতুন নয়, জারা হোসেন, সাদিয়া সহ উপস্থিত সকল শিক্ষার্থীদের মাঝে এমন খুশির ঝলক ছিল।

বিদ্যালয়ের আয়া ও দপ্তরিদের মধ্যেও ছিল আনন্দের উচ্ছ্বাস। বালিকা বিদ্যালয়ের আয়া,  পরিচ্ছন্ন ঘণ্টাটি বারবার মুছছেন, শিক্ষার্থীদের দিকে তাকি একা একা হাসছেনও। এমন দৃশ্য দেখে তাকে জিজ্ঞেস করতে একটু লজ্জা পেয়েই বললেন, কতদিন এই ঘণ্টার শব্দ কানে আসেনি। শিক্ষার্থীদোর ছোটাছুটি চোখে পড়েনি। এরাই তো আমার পরিবার। তিনি বলেন, দেড়টা বছর বাচ্চাদের হাসি মাখা মুখ দেখি না।
বিদ্যালয় খোলার পর শিক্ষার্থীদের চোখেমুখে ছিল অন্যরকম এক আনন্দ অনুভূতির ছোঁয়া।

কুষ্টিয়া সদর উপজেলা নির্বাহী অফিসার সাধন কুমার বিশ্বাস বলেন, সরকারি নির্দেশনা অনুযায়ী আমরা সব শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে পাঠদান শুরু করেছি। তিনি বলেন, সকালে জেলা প্রশাসক স্যারের সাথে কুষ্টিয়া কালেক্টরেট স্কুল সহ শহরে বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান পরিদর্শন করেছি। সব প্রতিষ্ঠানের শিক্ষকরা স্বাস্থ্যবিধি মেনে পাঠদান করছেন। পাঠদানের পাশাপাশি শিক্ষার্থীদের স্বাস্থ্যবিধি নিশ্চিতের বিষয়টি সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে বলেও জানান তিনি।
এছাড়াও জেলার প্রত্যন্ত বিদ্যালয়ে পরিদর্শনের জন্য শিক্ষা অফিসার সহ অন্যান্য নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটরা বিদ্যালয়গুলো পরিদর্শন করেন।


এ জাতীয় আরো খবর ....

বিজ্ঞাপনের জায়গা

বিজ্ঞাপনের জায়গা

এক ক্লিকে বিভাগের খবর